সম্পর্কের গোপন রহস্য জানিয়েছেন মনোবিজ্ঞানীরা!

সিলেটভিউ টুয়েন্টিফোর ডটকম, ২০১৭-০১-০৬ ০০:১৯:৫৪

মনোবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দু'বার ভাবা দরকার। আর সম্পর্কের বেলায় তো একাধিক বার না ভেবে কিছু করা মোটেই ঠিক হবে না। সম্পর্কে টিকিয়ে রাখতে সমঝোতা দরকার। কিছু জায়গায় সমঝোতা না করলে, ভাঙনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু কিছু বিষয় একেবারেই বর্জন করা উচিত। ওই বিষয়গুলিকে সহ্য করা মানে, সম্পর্কটা আর সম্পর্ক থাকে না। এ ব্যাপারে আরো জেনে নিন-

* অসম্মানজনক ভাষা
সব সময় ব্যঙ্গ করা, নীচু করার চেষ্টা, অযথা অপমান করার প্রবণতা যদি সঙ্গী বা সঙ্গিনীর থাকে, তাহলে এই স্বভাব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বদলাতে হবে। এটা অসহনীয়। একটা সুস্থ সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হল একে অপরকে শ্রদ্ধা ও সম্মান। যে সম্পর্কে সম্মান নেই, সেই সম্পর্ক কোন সম্পর্কই নয়। 

* সব কাজে নিয়ন্ত্রণ
একটা সুস্থ সম্পর্কে স্বতঃস্ফূর্ততা খুব জরুরি। মনোবিদ অ্যান্দ্রেয়া বনিয়ো জানাচ্ছেন, নিয়ন্ত্রণ ভালো, কিন্তু সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি সব সময়ই সব কিছুতেই কন্ট্রোল করতে বলেন, তাহলে বিষয়টি বিরক্তিকর হয়ে যায়। তখন সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। এরকম হলে, সহ্য না করাই ভালো।

* বিশ্বাসভঙ্গ
বিশ্বাস এমন একটি বস্তু, যা একবার ভঙ্গ হলে জোড়া খুব মুশকিল। সম্পর্কের মূল ভিত্তিও বিশ্বাস। তাই সম্পর্কে একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখা ও বিশ্বাসকে যত্নে লালন করা খুবই জরুরি। যদি দেখেন, সঙ্গী বা সঙ্গিনী বার বার বিশ্বাসে আঘাত হানছে, তাহলে আর সময় নষ্ট করা উচিত নয় বলেই জানাচ্ছেন মনোবিদরা।

* যত্নশীল
একে অপরের প্রতি যত্ন নেওয়া, একে অপরের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম। যদি দেখান, সঙ্গী বা সঙ্গিনী আপনাকে নিয়ে একেবারেই ভাবিত নয়, সব সময় নিজেরটা ভাবেন, তাহলে সহ্য করা ঠিক নয়। কারণ যত সহ্য করবেন, তত কষ্ট হবে।

* অবহেলা করা
সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে সব সময় আগে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। মনোবিদরা বলছেন, সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে অবহেলা করা, বিশেষ গুরুত্ব না দেওয়া- এই সবই কিন্তু সম্পর্ককে বিষ করে তোলে। অতএব এ সব সহ্য করে একটা সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখা মানে, নিজেকেই কষ্ট দেওয়া।
 
* আবেগের অভাব
আবেগ ছাড়া বেগ থাকে না। জীবন থেমে যায়। তাই আবেগকে উপেক্ষা করা ঠিক নয়। বেশি আবেগপ্রবণ ঠিক নয়, আবার আবেগহীন হওয়াও ঠিক নয়। সম্পর্কে খুব জরুরি। একে অপরের প্রতি মনের কথাকে সম্মান করা, আবেগের সঙ্গে আলোচনা করা দরকার। আবেগহীন সম্পর্ক না রাখাই ভালো।

সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : ২৪৫ বার

শেয়ার করুন

আপনার মতামত দিন

সর্বশেষ খবর

  •   ‘শাবি প্রশাসনে গতি বেড়েছে’
  •   জাপানে ল’এশিয়া কনফারেন্স যোগ দিলেন গোয়াইনঘাটের অ্যাড. সেলিম
  •   সিলেট থেকে টেকনাফ অভিমুখে রোডমার্চ বৃহস্পতিবার
  •   পড়ালেখা করলে রোমিওদের মতো ঘুরতে হবে না: গোয়াইনঘাটে এসপি
  •   গোয়াইনঘাটে ভারতীয় মদসহ আটক ১
  •   সিলেট ইয়াং স্টারের ঈদ পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  •   তাহিরপুরে কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
  •   সিলেটে ছাত্রদল নেতা তোফায়েলসহ বন্দিদের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ
  •   ট্রাম্পের কাছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কিছু প্রত্যাশা করা যায় না: শেখ হাসিনা
  •   রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভাষণে যা বললেন সু চি
  •   রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত
  •   জন্মদিনে সালমান শাহকে স্মরণ
  •   বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ দোয়ারাবাজার উপজেলা কমিটি অনুমোদন
  •   মিয়ানমারে গণহত্যার প্রতিবাদে সিলেটের মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন
  •   উখিয়া শরণার্থী ক্যাম্পে নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজ টিম
  • সাম্প্রতিক ফিচার খবর

  •   ভাটির পুরুষ || শাকুর মজিদ
  •   এখনকার তরুণেরা প্রেম করছেন কম!
  •   বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়: একজন নিভৃতচারী কথাশিল্পী
  •   সিলেট ইসকন মন্দিরে একদিন...
  •   'মুসলমান হিসেবে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না'
  •   শেখ হাসিনা, নোবেল শান্তি পুরস্কার ও পরিকল্পিত অপপ্রচার!
  •   ভা‌লো থেকো নী‌তির রাজনী‌তিক সৈয়দ মহসীন অালী
  •   ডেল কার্নেগির স্মরণীয় ৭টি উক্তি
  •   রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান কোন পথে?
  •   আমাদের সেরা ইউনিভার্সিটিগুলোর শিক্ষক-কর্মকর্তারা কি করে?
  •   সামাজিক বিয়েতে বাণিজ্যের হিসেব, প্রেমের বিয়ে হৃদয় সুখে ভরপুর
  •   অং সান সু চিকে লেখা খোলা চিঠি
  •   রোহিঙ্গা সমস্যার পরিণতি এবং আমাদের করণীয়
  •   ভগবান রাজনীশের যত কাণ্ড!
  •   পীর বা বাবার কোনও প্রয়োজন আছে?